১. এই সময়ে সবার আগে নিজেকে গুরুত্ব দাও। নিজের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবার সময় এটা। স্কুলে কি নম্বর পেয়েছে ভুলে যাও। কি নিয়ে পড়লে তুমি সব থেকে বেশী মনোযোগ দিতে পারবে সেটা ভাবো। কোন জিনিসটা সব থেকে ভালো লাগে? দরকার পরলে ক্যারিয়ার কাউন্সিলরদের সাহায্য নাও। স্রোতে গা ভাসিয়ে দিও না। সবাই ডাক্তারি আর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে বলে তোমাকেও পড়তে হবে এমনটা ভেবো না। মনে রাখবে স্কুলে কে কত ভাল নম্বর পেয়েছে তার কোনো গুরুত্ব নেই। সবার শেষে সবাই দেখবে কত টাকা আয় করছে আর জীবনে কে কতটা সফল হয়েছে।

২. এটা প্রেম করার বা হুট করে বিয়ে করারও সময় না। অনেক ভালো ছাত্র ছাত্রীকে এসব করে নিজের জীবন নষ্ট করতে দেখেছি। এই বয়সে এরকম ভুল করলে তার মাশুল সারা জীবন দিতে হবে। প্রেম যদিওবা করে ফেলো, সেটাকে নিয়ে বেশী সিরিয়াস না হওয়াটাই ভালো। আর যদি সিরিয়াস হয়ে যাও, তাহলে আগে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখো, পড়াশোনাটা ঠিক করে করো। ভালোবাসা সত্যি হলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছ না।

৩. মানসিক চাপকে অবহেলা করো না। কোনো কিছু থেকে মানসিক ভাবে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পরলে আগে সেটা নিজে স্বীকার করো। ডিপ্রেশান বা যেকোনো রকম মানসিক অস্বস্তি চেপে রেখো না। সব থেকে বিশ্বস্ত বন্ধু বা মা, বাবাকে জানাও। সেরকম কেউ যদি না থাকে তাহলে নিজে কোনো মনসতত্ত্ববিদের কাছে যাও ও পরামর্শ নাও। তবে মানসিক কোনো রকম সমস্যাকে অবহেলা করবে না। লোকে কি বলবে এসব ভাবলে হবে না। জেনে রাখবে কোনো মানুষই মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ নয়। তবে কারোর কম কারোর বেশি।

৪. কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করো না। বন্ধুত্ব করার আগে মানুষকে যাচাই করে দেখবে। বন্ধুর সংখ্যা বেশি বাড়বে না। কথায় আছে, অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট। অনেক বুঝে শুনে বন্ধুত্ব করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here